নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করে খুব সহজেই ঘরে বসে জীবাণুনাশক তৈরি করা সম্ভব।

ব্লিচিং পাউডার সাধারণত যেকোনো হার্ডওয়্যার-এর দোকানে সহজেই পাওয়া যায় এবং এলাকাভেদে ছোট প্যাকেট এর মূল্য সর্বনিম্ন ৫/- থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৫/- পর্যন্ত হয়ে থাকে।

ব্লিচিং পাউডার দিয়ে ২ ধরনের তরল জীবাণুনাশক তৈরি করা যায়ঃ

(১) বেশি ঘনত্বের তরল জীবাণুনাশক (ব্লিচিং পাউডার ও পানির ঘনত্ব ১ঃ১০), যা অধিক সংক্রামক বর্জ্য এবং হাসপাতালের বর্জ্য জীবাণুমুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

(২) কম ঘনত্বের তরল জীবাণুনাশক (ব্লিচিং পাউডার ও পানির ঘনত্ব ১ঃ১০০), যা সাধারণ পরিস্কারের কাজ যেমন আসবাবপত্র, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, মেঝে, দরজার হাতলসমূহ, লিফট, গাড়ি ইত্যাদি জীবাণুমুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

* বেশি ঘনত্বের তরল জীবাণুনাশক (ব্লিচিং পাউডার ও পানির ঘনত্ব ১ঃ১০) তৈরির পদ্ধতি নিচে দেয়া হলঃ
একটি পরিস্কার পাত্রে ২ লিটার পানিতে ১ টেবিল-চামচ ব্লিচিং পাউডার ভালো করে গুলিয়ে ঢাকনা দিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিতে হবে। অতঃপর, মিশ্রণের নিচে জমা তলানি ফেলে দিয়ে উপরের স্বচ্ছ তরল পদার্থ জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহারের জন্য তৈরি। নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে অধিক মানব ব্যবহৃত স্থানসমূহে ব্লিচিং পাউডারের বেশি ঘনত্বের দ্রবণ ব্যবহার করা প্রয়োজন।
* কম ঘনত্বের তরল জীবাণুনাশক (ব্লিচিং পাউডার ও পানির ঘনত্ব ১ঃ১০০) তৈরির পদ্ধতি নিচে দেয়া হলঃ
একটি পরিস্কার পাত্রে ২০ লিটার পানিতে ১ টেবিল-চামচ ব্লিচিং পাউডার ভালো করে গুলিয়ে ঢাকনা দিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিতে হবে। অতঃপর, মিশ্রণের নিচে জমা তলানি ফেলে দিয়ে উপরের স্বচ্ছ তরল পদার্থ জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহারের জন্য তৈরি।

Share This

Share this post with your friends!